সামাজিক ঐতিহ্যের একটি স্বতন্ত্র প্রকল্প

ঐতিহ্য প্রকল্পব্যক্তিত্বডা. গণপতি পাঁজা

ডা. গণপতি পাঁজা

কলকাতার স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ও জীবাণুবিদ ছিলেন গণপতি পাঁজা।

চশমা পরা ডা. গণপতি পাঁজার যাচাইকৃত ঐতিহাসিক প্রতিকৃতি
গণপতি পাঁজা। সৌম্য পান্ডার ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ডার্মাটোলজি (২০১৫)-এর প্রবন্ধের ২ নম্বর চিত্র। CC BY-NC-SA 3.0; ছবি অপরিবর্তিত। মূল আলোকচিত্রীর পরিচয় নেই।

চর্মরোগবিদ্যা · চিকিৎসা গবেষণা · সম্পাদনা

জীবন ও কাজ

১৮৯১–১৯৫৯ · ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ডার্মাটোলজির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক

কলকাতার স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ও জীবাণুবিদ ছিলেন গণপতি পাঁজা। ১৯৫৫ সালে তিনি ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ডার্মাটোলজি-র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হন এবং ১৯৫৯ সালে মৃত্যু পর্যন্ত সেই দায়িত্ব পালন করেন।[১]

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস ও ম্যালাসেজিয়া ছিল তাঁর গবেষণার বিষয়। পত্রিকার ইতিহাসে কলকাতার এই প্রতিষ্ঠানে চর্মরোগবিদ্যার বিকাশে হিউ ডব্লিউ অ্যাক্টনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে।[১] তাঁর ছোট ভাই ধনপতি পাঁজা-ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন।[২][৩]

অচিন্ত্যকুমার দত্ত সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট বিদ্বজ্জনদের আলোচনায় মাঝিগ্রামের গণপতি পাঁজার নাম উল্লেখ করেছেন, পৃ. ৩১৩–৩১৪।[৪]

সব ব্যক্তিত্বের পরিচয় পড়ুন →

সংগ্রহে অন্তর্ভুক্তির সূত্র

আরও পড়ুন

টীকা ও উৎস

  1. সৌম্য পান্ডা, “Sixty Years of the Indian Journal of Dermatology: An Interpretation of the Journey” (২০১৫). প্রবন্ধ ও ২ নম্বর চিত্র দেখা হয়েছে। পত্রিকার CC BY-NC-SA 3.0 শর্তে অপরিবর্তিত প্রতিকৃতি; মূল আলোকচিত্রীর পরিচয় নেই। উৎসের বিবরণ
  2. বারিদবরণ ঘোষ, গণপতি পাঁজার জীবনচরিত — আনন্দবাজার পত্রিকা (২ জানুয়ারি ২০১৭). দুই ভাইয়ের সম্পর্ক ও চিকিৎসক-পরিচয়ের জন্য ব্যবহৃত। গণপতির কৃতিত্ব ধনপতির নামে আরোপ করা হয়নি। উৎসের বিবরণ
  3. এই সময়, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সলিলকুমার পাঁজার প্রয়াণসংবাদ (১ সেপ্টেম্বর ২০২৩). পারিবারিক ও চিকিৎসার প্রেক্ষাপটের জন্য ব্যবহৃত। লেখাটির বিষয় ও ছবি সলিলের, ধনপতির নয়। উৎসের বিবরণ
  4. অচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Prosperity, Dominance, and Social Mobility: Emergence of a Mobile Caste in Colonial Southwest Bengal” (২০২৩), পৃ. ২৯৭–৩২৪. দেওয়া বইয়ে সম্পূর্ণ অধ্যায়, অন্ত্যটীকা ও গ্রন্থপঞ্জি সরাসরি পড়া হয়েছে। উল্লেখে মুদ্রিত পৃষ্ঠাসংখ্যা ব্যবহৃত। উৎপত্তির অনুমান লেখকের মত হিসেবেই রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের বইয়ের নথি খুলবে। উৎসের বিবরণ

ঐতিহ্য প্রকল্পে খুঁজুন

শুরু করতে একটি শব্দ বা বাক্যাংশ লিখুন।

সাময়িকপত্রের ভিতরের বাংলা লেখার জন্য ব্যবহার করুন সাময়িকপত্রের পাঠাগার.