মূল বাংলা সাময়িকপত্রউগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি, প্রথম খণ্ড (১২৯৮ বঙ্গাব্দ)
মালিকের দেওয়া Ugrakshatriya_Pratinidhi_Vol_01.pdf। ১৭৫টি PDF ছবি, অধিকাংশে জোড়া পাতা। প্রচ্ছদ ও প্রারম্ভিক সূচিপত্র সরাসরি দেখা হয়েছে। ১২৯৮ বঙ্গাব্দ ১৮৯১–৯২ জুড়ে; বৈশাখ ১২৯৮ আনুমানিক এপ্রিল–মে ১৮৯১।
মালিকের দেওয়া PDF। সম্পূর্ণ তড়িৎ প্রবন্ধ (মুদ্রিত পৃ. ১২–২৩) ও প্রথম সম্পাদকীয়ের সূচনাপৃষ্ঠা স্ক্যানের সঙ্গে মিলিয়ে অনূদিত; নির্বাচিত পাঠ-টীকাও আছে। বাংলা যন্ত্রপাঠ অযাচাইকৃত।
প্রথম খণ্ড পড়ুন ↗মূল বাংলা সাময়িকপত্রউগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি, দ্বিতীয় খণ্ড (১২৯৯ বঙ্গাব্দ)
মালিকের দেওয়া Ugrakshatriya_Pratinidhi_Vol_02.pdf। ১৬৭টি PDF ছবি, অধিকাংশে জোড়া পাতা। প্রথম ছবিতে দ্বিতীয় খণ্ড ও ১২৯৯ (১৮৯২–৯৩) সালের চিহ্ন এবং প্রতিনিধির আত্মকথার শুরু রয়েছে।
মালিকের দেওয়া PDF। সম্পূর্ণ প্রতিনিধির আত্মকথা (মুদ্রিত পৃ. ১–৫) স্ক্যান মিলিয়ে অনূদিত। বাংলা যন্ত্রপাঠ অযাচাইকৃত; খণ্ডটির অধিকাংশ অনূদিত নয়।
দ্বিতীয় খণ্ড পড়ুন ↗ঔপনিবেশিক নৃতাত্ত্বিক বিবরণএইচ. এইচ. রিজলি, The Tribes and Castes of Bengal, প্রথম খণ্ড (১৮৯১), পৃ. ১২–১৩
ডিজিটাল মূল খণ্ডের আগুরী ভুক্তি: কৃষি ও বাণিজ্য, সাতটি উপবিভাগ, বিবাহবিভাগ, আচার এবং ঐতিহাসিক ভৌগোলিক বণ্টনের সারণি। ইন্টারনেট আর্কাইভ পরিচয় TheTribesAndCastesOfBengal। যন্ত্রপাঠ সরাসরি দেখা হয়েছে; ভেঙে যাওয়া সারণি থেকে জনগণনার সংখ্যা নেওয়া হয়নি।
১৮৯১ সালে এক ঔপনিবেশিক লেখক কী লিখেছিলেন, তার সাক্ষ্য। লেখার জাতিগত ক্রম, উৎপত্তির অনুমান ও চরিত্রের বাঁধাধরা ধারণা এই প্রকল্প সমর্থন করে না।
মূল উৎস দেখুন ↗ইতিহাস গবেষণাজন আর. ম্যাকলেন, Land and Local Kingship in Eighteenth-Century Bengal (১৯৯৩)
কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, Cambridge South Asian Studies 53। ২০০২-এর পেপারব্যাকে আগুরী আলোচনা পৃ. ১৫৭-এ উদ্ধৃত। প্রকাশকের নথি দেখা হয়েছে; সম্পূর্ণ অধ্যায় এই পর্যালোচনায় পাওয়া যায়নি।
প্রকাশকের নথি দেখা হয়েছে। পৃ. ১৫৭-এর আগুরী আলোচনা সরাসরি পড়া হয়নি; প্রতিষ্ঠার নির্দিষ্ট তারিখ বা উৎপত্তির মীমাংসায় এটি ব্যবহার করা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗ইতিহাস গবেষণাঅচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Rice trade in the ‘rice bowl of Bengal’: Burdwan 1880–1947” (২০১২)
The Indian Economic & Social History Review 49(1), পৃ. ৭৩–১০৪। সারাংশে পরিবহণ, বাজারের প্রসার, চালের ব্যবসায়ী ও কলমালিকদের আলোচনা আছে। গ্রন্থপঞ্জিতে উগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি, প্রথম বর্ষ, প্রথম খণ্ড, ১২৯৮ বঙ্গাব্দ এবং পৃথক উগ্রক্ষত্রিয় পত্রিকা, ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের উল্লেখ রয়েছে।
প্রকাশকের সারাংশ ও গ্রন্থপঞ্জি দেখা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রবন্ধ পড়তে প্রবেশাধিকার প্রয়োজন; না-পড়া অংশ থেকে জাতিসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আরোপ করা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗ইতিহাস গবেষণা · অধ্যায় পড়া হয়েছেঅচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Prosperity, Dominance, and Social Mobility: Emergence of a Mobile Caste in Colonial Southwest Bengal” (২০২৩), পৃ. ২৯৭–৩২৪
অচিন্ত্যকুমার দত্ত সম্পাদিত Explorations in Colonial Bengal: Essays on Religion, Society, and Culture-এর ১৩ অধ্যায়। হায়দরাবাদ: ওরিয়েন্ট ব্ল্যাকসোয়ান, ২০২৩। ISBN 9789354425134। উৎপত্তি ও সৈনিকবৃত্তি: পৃ. ২৯৯–৩০৩; জনসংখ্যা: ৩০৫–৩০৬; উদ্যোগ ও ভূমিস্বত্ব: ৩০৬–৩১১; আঙ্গুনার হাজরা পরিবার: ৩০৮–৩০৯; সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব: ৩১১–৩১৪; পরিচয় ও মর্যাদা: ৩১৪–৩১৯। প্রথম পাদটীকায় ২০১১-এর পূর্ববর্তী সংস্করণের উল্লেখ।
দেওয়া বইয়ে সম্পূর্ণ অধ্যায়, অন্ত্যটীকা ও গ্রন্থপঞ্জি সরাসরি পড়া হয়েছে। উল্লেখে মুদ্রিত পৃষ্ঠাসংখ্যা ব্যবহৃত। উৎপত্তির অনুমান লেখকের মত হিসেবেই রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের বইয়ের নথি খুলবে।
প্রকাশকের বইয়ের নথি ↗ইতিহাস গবেষণা · নির্বাচিত অংশ পড়া হয়েছেসুদর্শনা ভৌমিক, The Changing World of Caste and Hierarchy in Bengal: Depiction from the Mangalkavyas c. 1700–1931 (২০২৩)
রাউটলেজ। ISBN 9780367557553; DOI 10.4324/9781003146186। সাইটে দেওয়া সংস্করণের মুদ্রিত সাল ২০২৩ অনুসৃত; কিছু তালিকায় প্রকাশ ২০২২। সাহিত্যিক উল্লেখ, বসতির ঐতিহ্য, জানা/সুতা: পৃ. ৪৮–৪৯, সঙ্গে পৃ. ৬৫-এর টীকা ১৩৪; ভূমিস্বত্ব: ১৭৮, ১৯৮; ঐতিহাসিক শ্রেণিবিন্যাস: ২৩২; পরিচয়, জনগণনার দাবি ও উপবিভাগের সংস্কার: ২৪২, ২৪৪, ২৪৭, ২৫২।
দেওয়া বইয়ের নির্বাচিত আগুরী অংশ ও সহায়ক টীকা সরাসরি পড়া হয়েছে; পুরো বই পর্যালোচিত নয়। রাজস্থান–মানসিংহের আগমনকাহিনি লেখকের বিবৃত ঐতিহ্য হিসেবে দত্তের অনিশ্চয়তার পাশে রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের নথি খুলবে।
প্রকাশকের বইয়ের নথি ↗জেলা প্রশাসনপূর্ব বর্ধমান জেলা: ইতিহাস ও পটভূমি
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জেলা ইতিহাস। আবু রায়ের ১৬৫৭-এর নিয়োগ ও বর্ধমান রাজের প্রেক্ষাপটের জন্য ব্যবহৃত; আগুরীদের বংশপরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে নয়।
ওয়েবপাতা দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। আঞ্চলিক ইতিহাস ও সমাজের ইতিহাস পৃথক রাখা হয়েছে।
মূল উৎস দেখুন ↗জেলা প্রশাসনপূর্ব বর্ধমান জেলা: ভূগোল
পার্শ্ববর্তী জেলা, নদী ও ভূপ্রকৃতির সরকারি বিবরণ। পলিসমভূমি এবং ল্যাটেরাইট অঞ্চল—দুই-ই বর্ণিত; অঞ্চলটিকে শুধু লাল মাটির উঁচুভূমি বলে দেখা উচিত নয়।
ওয়েবপাতা দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ভূপ্রকৃতি ও বর্তমান ভৌগোলিক পরিচয়ের জন্য ব্যবহৃত।
মূল উৎস দেখুন ↗জেলা প্রশাসনপশ্চিম বর্ধমান জেলা: ইতিহাস
সরকারি জেলা বিবরণে ৭ এপ্রিল ২০১৭-এ পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের সৃষ্টি এবং অজয় ও দামোদরের মধ্যবর্তী অঞ্চলের সঙ্গে গোপভূমের সম্পর্ক রয়েছে।
ওয়েবপাতা দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। পুরোনো জেলার সীমানাকে বর্তমান সীমানার সমান ভাবা যাবে না।
মূল উৎস দেখুন ↗লেখকের পরিচয়-সহ রাজনৈতিক স্মরণলেখাবিমান বসু, “The Birth Centenary of Comrade HareKrishna Konar” (২০১৪)
পিপল্স ডেমোক্র্যাসি, ১০ আগস্ট ২০১৪। কোঙারের কৃষক সংগঠন, ১৯৩৮-এর কারামুক্তি এবং ১৯৬৭ ও ১৯৬৯-এর যুক্তফ্রন্ট সরকারের ভূমি ও ভূমিরাজস্ব দায়িত্বের জন্য ব্যবহৃত।
দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির স্মরণলেখা, স্বাধীন জীবনচরিত নয়। আন্দামানের তারিখ এবং নিজেরই দেওয়া তারিখের সঙ্গে মৃত্যুকালীন বয়স অসংগত; সেগুলি নিশ্চিত তথ্য হিসেবে পুনরাবৃত্ত হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗গবেষণার সহায়ক পরিচিতি“Aguri (caste)” — পরিচিতিমূলক নিবন্ধ ও গ্রন্থপঞ্জি
উইকিপিডিয়ার আগুরী নিবন্ধ, দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। সাত ব্যক্তির তালিকা থেকে সাইটের প্রথম সাতটি জীবনচরিত নেওয়া হয়। কুণ্ডু (২০০৮), ম্যাকলেন, সেন এবং Liyiyu ও Dasgupta (২০২১)-এর গবেষণার সূত্রও দেয়।
তালিকার সম্প্রদায়গত পরিচয় এই নিবন্ধের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখিত। জীবন ও কাজের পৃথক উৎস আছে; ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত সব বই দেখা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗গ্রন্থপঞ্জির উল্লেখঅচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Vertical mobility of an entrepreneurial caste: the Ugra Kshatriyas of Burdwan” (১৯৯৯)
The Journal of the Anthropological Survey of India 48(2), জুন ১৯৯৯, পৃ. ১–২১। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখকের গ্রন্থপঞ্জির পৃ. ১৬–১৭-এ তালিকাভুক্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থপঞ্জিতে প্রকাশনাতথ্য যাচাই করা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রবন্ধ পড়া হয়নি; তার ফলাফল পড়া হয়েছে বলে কোনও দাবি করা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗সংসদীয় জীবনচরিত · পুনঃপ্রকাশঅজিতকুমার পাঁজা — একাদশ লোকসভার জীবনচরিত
ইন্ডিয়াপ্রেসে লোকসভা সদস্যের জীবনচরিতের পুনঃপ্রকাশ। জন্মসাল, আইনের শিক্ষা, রাজ্যের জনসেবা, ১৯৮৪-এ প্রথম লোকসভা নির্বাচন ও মন্ত্রিত্বের দায়িত্বের জন্য ব্যবহৃত।
পুনঃপ্রকাশিত জীবনচরিত সরাসরি পড়া হয়েছে; একাদশ লোকসভার সময়ে নথিভুক্ত কর্মজীবন বর্ণিত।
মূল উৎস দেখুন ↗সংসদীয় নথিলোকসভা, শোকপ্রস্তাব, ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ — অজিতকুমার পাঁজা
স্পিকারের স্মরণবক্তব্য: অষ্টম থেকে ত্রয়োদশ লোকসভার সদস্যপদ, কেন্দ্রীয় দায়িত্ব, লেখালেখি ও নাটক। পার্লামেন্ট ডিজিটাল লাইব্রেরি, নথি 722032, ফাইল 10463.pdf।
সংসদীয় নথির সূচিবদ্ধ পাঠ দেখা হয়েছে। পর্যালোচনার সময় আর্কাইভের PDF সংযোগ মাঝেমধ্যে অপ্রাপ্য ছিল।
মূল উৎস দেখুন ↗সংসদীয় জীবনচরিত · পুনঃপ্রকাশডা. রণজিৎকুমার পাঁজা — দ্বাদশ লোকসভার জীবনচরিত
ইন্ডিয়াপ্রেসে সদস্যের জীবনচরিতের পুনঃপ্রকাশ। জন্মসাল, চিকিৎসাশিক্ষা, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অধ্যাপনা (১৯৭৪–৯০), ১৯৯৮-এর বারাসত নির্বাচন, কমিটি ও গ্রামীণ চিকিৎসাশিবিরের জন্য ব্যবহৃত।
পুনঃপ্রকাশিত জীবনচরিত সরাসরি পড়া হয়েছে। এটি সেই সময়ের বিবরণ, সম্পূর্ণ পশ্চাৎদৃষ্টিমূলক জীবনী নয়।
মূল উৎস দেখুন ↗সমসাময়িক শোকলেখা“Ranjit Panja dead” — দ্য টেলিগ্রাফ
৬ এপ্রিল ২০০৬।
শুধু মৃত্যুসাল সমর্থনের জন্য ব্যবহৃত।
মূল উৎস দেখুন ↗চলচ্চিত্র সংস্থার বিবরণশক্তি সামন্ত — শক্তি ফিল্মস / আরাধনা ফিল্মসের জীবনচরিত
প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে স্টুডিওর বিবরণ: ১৯৫৭-এ শক্তি ফিল্মসের প্রতিষ্ঠা, বাংলা ও হিন্দি ছবিতে কাজ, নির্বাচিত ছবি ও ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার।
স্টুডিওর বিবরণ সরাসরি পড়া হয়েছে। জন্মসাল ১৯২৫ বলা হয়েছে, অন্যত্র বহুল উল্লিখিত ১৯২৬-এর সঙ্গে যা মেলে না; তাই জীবনচরিতে জন্মসাল বাদ। স্টুডিওর কোনও ছবি পুনর্ব্যবহারের অনুমতি ছাড়া নেওয়া হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗উইকিপিডিয়ার জীবনচরিতবিনয়কৃষ্ণ কোঙার — উইকিপিডিয়া
জন্ম-মৃত্যুসাল, হরেকৃষ্ণ কোঙারের সঙ্গে সম্পর্ক ও মেমারির নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত। জনজীবনের জন্য বাংলা প্রতিবেদনও দেখা হয়েছে।
নিবন্ধ পড়া হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
মূল উৎস দেখুন ↗বাংলা সংবাদপত্রের শোকলেখা“হরেকৃষ্ণ শতবর্ষেই প্রয়াত বিনয় কোঙার” — আনন্দবাজার পত্রিকা (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)
কৃষক আন্দোলন, রাজ্য ও জাতীয় কৃষক সভার নেতৃত্ব, বিধানসভায় কাজ এবং সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম নিয়ে মন্তব্যের বিতর্ক সম্পর্কে সমসাময়িক বিবরণ।
বাংলা নিবন্ধ সরাসরি পড়ে সাইটের নিজস্ব ভাষায় সারাংশ লেখা হয়েছে।
মূল উৎস দেখুন ↗বাংলা বই · প্রকাশকের নথিবিনয় কোঙার, নির্বাচিত রাজনৈতিক প্রবন্ধ, স্মৃতি ও স্মরণ — ন্যাশনাল বুক এজেন্সি
রাজনৈতিক প্রবন্ধ ও স্মৃতিচারণের বাংলা সংগ্রহ সম্পর্কে প্রকাশকের তালিকা। আরও পাঠের পরিচয় দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত।
নাম, লেখক, ভাষা ও প্রকাশক দেখা হয়েছে। সম্পূর্ণ বই পড়া হয়নি; কোনও অংশ উদ্ধৃত বা সংক্ষেপ করা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗উইকিপিডিয়ার জীবনচরিতদাশরথি তা — উইকিপিডিয়া
জন্ম-মৃত্যুসাল, স্বাধীনতা আন্দোলন, রায়নার নির্বাচন ও দামোদর পত্রিকার জন্য ব্যবহৃত। নিবন্ধে সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃ. ১২৮ উদ্ধৃত।
নিবন্ধ সরাসরি পড়া হয়েছে; উদ্ধৃত চরিতাভিধানের অংশ স্বাধীনভাবে দেখা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗বাংলায় স্থানীয় ইতিহাসের প্রতিবেদনকৃষ্ণ সাহা, স্বাধীনতা সংগ্রামী দাশরথি তা সম্পর্কে বাংলা বিবরণ — কৃষকসেতু
স্বামীর আত্মগোপনকালে রমা তা-র দামোদর পত্রিকা চালিয়ে যাওয়ার বিবরণের জন্য সীমিতভাবে ব্যবহৃত।
বাংলা নিবন্ধ দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। স্থানীয় ইতিহাসের বিবরণটি উৎসের নামে উল্লেখিত; সমর্থন ছাড়া যুদ্ধকালীন নাটকীয় দাবি পুনরাবৃত্ত হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗সংসদীয় জীবনচরিত · পুনঃপ্রকাশনিখিলানন্দ সর — দ্বাদশ লোকসভার জীবনচরিত
ইন্ডিয়াপ্রেসে সদস্যের জীবনচরিতের পুনঃপ্রকাশ। জন্মস্থান নিগুন, শিক্ষা, শিক্ষকতা, স্থানীয় প্রশাসন ও সংসদীয় কমিটির কাজ নথিভুক্ত।
সমসাময়িক পুনঃপ্রকাশিত জীবনচরিত সরাসরি পড়া হয়েছে।
মূল উৎস দেখুন ↗বাংলা সংবাদপত্রের শোকলেখানিখিলানন্দ সরের শোকলেখা — আনন্দবাজার পত্রিকা (২০২০)
অমরুন ও জবগ্রামে শিক্ষকতা, কৃষক সংগঠন, মঙ্গলকোটের বিধায়কপদ, জেলা পরিষদ ও ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০৪-এর লোকসভা নির্বাচনের বাংলা বিবরণ।
নিবন্ধ সরাসরি পড়া হয়েছে। জীবনচরিতে শুধু জন্ম-মৃত্যুসাল: এই শোকলেখা ও উইকিপিডিয়ায় জুলাই ২০২০-এর মৃত্যুর নির্দিষ্ট দিন আলাদা।
মূল উৎস দেখুন ↗বাংলায় সমাজের ইতিহাসহরিচরণ বন্ধু, রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়, দ্বিতীয় সংস্করণ (১৯৪০)
হরিচরণ বন্ধু সংকলিত; কলকাতায় দ্বিজেন্দ্রচন্দ্র রায় প্রকাশিত। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ডিজিটাল লাইব্রেরি অব ইন্ডিয়ার স্ক্যান। প্রকাশকের নিবেদনের তারিখ ২৭ বৈশাখ ১৩৪৭। উৎপত্তির প্রস্তাবগুলি ঐতিহাসিক যুক্তি হিসেবে বিবেচিত।
উৎসর্গ, ভূমিকা, নয়টি অধ্যায় ও সংরক্ষিত উপসংহারের ইংরেজি অনুবাদ ৯৮ পাতার PDF-এ রয়েছে; মূল শুদ্ধিপত্র ও অনুবাদকের টীকা-সহ। মুদ্রিত ১৪২–১৪৩ পাতা ডিজিটাল মূলে নেই। অনিশ্চিত পাঠ চিহ্নিত; সম্পূর্ণ যাচাইকৃত গবেষণা-সংস্করণ নয়। পৃথক ভূমিকার পাঠে বাংলা প্রতিলিপি ও মূল ছবি আছে।
ডিজিটাল বাংলা বই পড়ুন ↗বাংলা সাহিত্যপত্রের গ্রন্থ-সমালোচনা“রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়” — প্রবাসী, মাঘ ১৩২১ (১৯১৫), পৃ. ৪৭০–৪৭১
প্রবাসী, চতুর্দশ বর্ষ, দ্বিতীয় খণ্ডের সমালোচনা। উইকিসংকলনে বাংলা প্রতিলিপি-সহ স্ক্যান, ছবি ৪৯৮–৪৯৯। পূর্ববর্তী সংস্করণ নিয়ে আলোচনা, ১৯৪০-এর দ্বিতীয় সংস্করণ নিয়ে নয়।
মুদ্রিত পৃ. ৪৭০–৪৭১ (স্ক্যান ৪৯৮–৪৯৯) থেকে সম্পূর্ণ সমালোচনা অনূদিত ও ছবি মিলিয়ে দেখা। একটি পদবির অমিল ও একটি অস্পষ্ট বাক্যাংশ চিহ্নিত।
সমালোচনা ও স্ক্যান পড়ুন ↗স্থানীয় আচার সম্পর্কে বাংলা বিবরণতরুণ চক্রবর্তী, “শরতের দুর্গোৎসবেও জলমগ্ন থাকেন ক্ষীরগ্রামের দশভুজা” — আনন্দবাজার পত্রিকা (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩)
ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা পূজা, গুয়া ডাকা ও আগুরী গ্রামের নামোল্লেখের বিবরণ। যৌথ আঞ্চলিক ঐতিহ্যে অংশগ্রহণের এই নির্দিষ্ট বিবরণের জন্য ব্যবহৃত।
বাংলা নিবন্ধ সরাসরি পড়া হয়েছে। রাজাদের কালক্রমের অসংগতি ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗বাংলা বই · অনলাইন প্রতিলিপিলোকেশ্বর বসু, আমাদের পদবীর ইতিহাস
ই-বাংলা লাইব্রেরিতে পাওয়া বাংলা পদবির আলোচনা। একাধিক সমাজে একই পদবির ব্যবহার সম্পর্কে ভূমিকা পারিবারিক গবেষণার প্রেক্ষাপট হিসেবে ব্যবহৃত।
অনলাইন ভূমিকা সরাসরি পড়া হয়েছে। মুদ্রিত সংস্করণ, তারিখ ও পৃষ্ঠাসংখ্যা যাচাই করা হয়নি; আধুনিক আইনগত শ্রেণিবিন্যাস এখান থেকে নেওয়া হয়নি।
বাংলা ভূমিকা পড়ুন ↗জীবনচরিতের পরিচিতিরমাপদ চৌধুরী — জীবনচরিতের তথ্যসূত্র
উইকিপিডিয়ার জীবনচরিত, দেখা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। জীবনকাল, খড়্গপুরে জন্ম, প্রথম দিকের উপন্যাস, এখনই-এর রবীন্দ্র পুরস্কার, খারিজ ও এক ডক্টর কি মওত-এর রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত।
শুধু জীবন ও সাহিত্যকর্মের জন্য; এই জীবনচরিত আগুরী পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে না।
মূল উৎস দেখুন ↗প্রকাশকের লেখক-পরিচিতিনিয়োগী বুকস — রমাপদ চৌধুরী
লেখক-পরিচিতিতে কয়েক দশক রবিবাসরীয় আনন্দবাজার সম্পাদনা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও চলচ্চিত্রায়ণের সমর্থন পাওয়া যায়।
প্রকাশকের পরিচিতি সরাসরি পড়া হয়েছে। আনন্দ পুরস্কারের সালে দৃশ্যত মুদ্রণভুল পুনরাবৃত্ত হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗বাংলায় শতবর্ষের প্রবন্ধতিলোত্তমা মজুমদার, “কলমের দেখানেপনা ছিল না” — আনন্দবাজার পত্রিকা (২৮ ডিসেম্বর ২০২২)
ঔপন্যাসিক তিলোত্তমা মজুমদারের মূল্যায়ন: চৌধুরীর সংযত গদ্য, সামাজিক পর্যবেক্ষণ ও নবীন লেখকদের উৎসাহদান।
বাংলা লেখা সরাসরি পড়ে সারাংশ করা হয়েছে। সাহিত্যিক মূল্যায়ন লেখকের নামে উল্লেখিত; সম্প্রদায়গত পরিচয় অনুমান করা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗সাহিত্য পুরস্কারের সরকারি নথিসাহিত্য অকাদেমি — বাংলা পুরস্কারপ্রাপক: ১৯৮৮
বাংলা তালিকায় ১৯৮৮-এর সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারের জন্য Ramapada Choudhuri ও Bari Badle Jai উপন্যাস নথিভুক্ত। সরকারি তালিকায় এই লিপ্যন্তর ব্যবহৃত।
পুরস্কার, সাল ও বই যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত।
মূল উৎস দেখুন ↗পরিচয়-সহ দলীয় স্মরণলেখাসিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো — বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরীর স্মরণবার্তা
১৯৩৮-এ কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান, ১৯৫২-এর বর্ধমান নির্বাচন জয় এবং ভূমিসংস্কার, অপারেশন বর্গা ও পঞ্চায়েতের কাজ নথিভুক্ত।
দলীয় স্মরণবার্তা, উৎসের পরিচয়-সহ ব্যবহৃত। ওয়েবপাতার তারিখ ২০০৯ হলেও লেখাটি ২০০০-এ তাঁর মৃত্যু নিয়ে। জানুয়ারির জন্মদিন অন্য বিবরণের সঙ্গে মেলে না; শুধু জীবনকাল দেওয়া হয়েছে।
মূল উৎস দেখুন ↗সংরক্ষিত মৌখিক ইতিহাসের সাক্ষাৎকারঅ্যান্ড্রু হোয়াইটহেড, “Communist Voices: Benoy Choudhury” — জুন ১৯৯২-এর সাক্ষাৎকার
সাক্ষাৎকারগ্রহণকারীর ভূমিকায় চৌধুরীকে (১৯১১–২০০০) সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরোর সদস্য বলা হয়েছে; যুগান্তর, কারাগার, কৃষক রাজনীতি ও ভূমিসংস্কার নিয়ে রেকর্ড করা আলোচনার পরিচয় আছে।
লিখিত ভূমিকা পড়া হয়েছে। আরও শোনার জন্য অডিয়োর সংযোগ আছে; প্রতিলিপি বা সরাসরি উদ্ধৃতির দাবি করা হয়নি।
মূল উৎস দেখুন ↗বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসবর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় — বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী গ্রামীণ প্রযুক্তি কেন্দ্র
বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী ২০০০ সালে তাঁর স্মৃতিতে কেন্দ্রটির নাম বদলানো হয়। গ্রামীণ জীবিকার সহায়ক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের বিবরণও আছে।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাতা সরাসরি পড়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক স্মরণের জন্য ব্যবহৃত, সম্প্রদায়গত পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে নয়।
মূল উৎস দেখুন ↗মূল ঐতিহাসিক বইযোগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, Hindu Castes and Sects (১৮৯৬), সূচিপত্র পৃ. x ও পৃ. ১৫৬–১৫৮
কলকাতা: Thacker, Spink & Co. সপ্তম ভাগের শিরোনাম “The Military Castes”; নবম অধ্যায় “The Aguris of Bengal”, পৃ. ১৫৬–১৫৮। জীবিকা ও উৎপত্তির বিতর্ক বর্ণিত; পৃ. ১৫৮-এ প্রতাপচন্দ্র রায়কে সুতা আগুরী বলা হয়েছে। গোখলে ইনস্টিটিউটের স্ক্যান GIPE-000880। চারটি প্রাসঙ্গিক পাতা চোখে দেখে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ইতিহাস নিবন্ধের পাশে রাখা হয়েছে।
ভট্টাচার্যের শ্রেণিবিন্যাস ও বিবরণের সাক্ষ্য; সরকারি সেনা-নিয়োগ বা রেজিমেন্টের প্রমাণ নয়। জাতিগত ক্রম, শাস্ত্রীয় বংশসূত্র ও চরিত্রের সাধারণীকরণ ঐতিহাসিক দাবি, বর্তমান তথ্য নয়। অধ্যায়ে অনুবাদকের নাম “Kishori Mohan Ganguli”; জীবনচরিতে মহাভারত সংস্করণের প্রকাশকের ভূমিকা অনুসারে Kisari Mohan Ganguli ব্যবহার করা হয়েছে।
মূল উৎস দেখুন ↗সংস্করণ সম্পর্কে প্রকাশকের বিবরণThe Complete Mahabharata in English: প্রকাশকের ভূমিকা
মুন্সিরাম মনোহরলাল সংস্করণের ভূমিকা, মতিলাল বনারসিদাসের তালিকাপাতায় পুনঃপ্রকাশিত। অনুবাদক হিসেবে কিশোরীমোহন গঙ্গোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব, প্রতাপচন্দ্র রায়ের প্রকাশকের ভূমিকা এবং সুন্দরীবালা রায়ের সমাপ্তিকরণের উল্লেখ। ধারাবাহিক প্রকাশকাল ১৮৮৩–১৮৯৬।
প্রকাশকের ভূমিকা দেখা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। প্রকাশনার ইতিহাস ও ভূমিকার বিভাজনে ব্যবহৃত; অনুবাদ ভুল করে রায়ের নামে দেওয়া অনুসরণ করা হয়নি।
প্রকাশকের ভূমিকা পড়ুন ↗জীবনচরিতের তথ্যসূত্রপ্রতাপচন্দ্র রায় — উইকিডেটার পরিচিতি নথি
উইকিডেটা Q94636898-এ ১৮৪২–১৮৯৫ নথিভুক্ত; দুই সালের জন্য OCLC FAST পরিচিতি নথি 286863 উদ্ধৃত। ভারতীয় পুস্তকবিক্রেতা ও প্রকাশক হিসেবে পরিচিত।
দেখা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। শুধু জীবনকাল ও নামের রূপভেদের জন্য; সম্প্রদায়গত পরিচয় বা মহাভারতের অনুবাদক নির্ধারণে নয়।
মূল উৎস দেখুন ↗